মেনু নির্বাচন করুন

উপজেলা পরিষদ চত্বরের শহীদ মিনার।

কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদ চত্বরে নির্মিত জাতীয় চেতনাবোধের অমর স্মৃতি  শহীদ মিনার। যতদূর জানা যায় পূর্বে কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদ তথা অত্র এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে কাশিযানী গিরীশ চন্দ্র   পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদবেদীতে পুষ্পার্ঘ দিতে যেতে হত। জাতীয় চেতনাবোধে, নব চেতনায় উজ্জীবিত করার মত ছিলনা কোন বেদী কিংবা মঞ্চ। এই অপূর্ণতার বিষাদ স্থানীয় সুধীজনকে করে তোলে আন্দোলিত। জনমনে অস্ফুট বাসনা দানা বেঁধে ওঠে শহীদ মিনার তৈরির। এরই ফল হিসেবে ১৯৮৯ সালের দিকে তৈরি করা হয় এই শহীদ মিনার। মিনারটির বামপাশে রয়েছে পল্লী ভবন এবং ডানপাশে রয়েছে পুরাতন কোর্ট ভবন। সম্মুখভাগের উপজেলা পরিষদ ভবন দিবা-নিশি মিনারের প্রতি জানাচ্ছে অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। পিছনে এবং সামনের বিশালাকৃতির দুটো রেইনট্রি মিনারটিকে ছায়া সুশীতল রাখতে সদা ব্যস্ত। নব চেতেনার, নব জাগরণের, পুরাতন ও আধুনিকতার মিলন মেলার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে শহীদ মিনার চত্বরটি মুখরিত

হতে থাকে। বেদী লাগোয়া মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ। জনমনে সর্বদা অনুপ্রেরণা যোগাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে সাদা রংয়ের টাইলস বেষ্টিত উপজেলা পরিষদ চত্বরের এই শহীদ মিনারটি ।

কিভাবে যাওয়া যায়:

কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদ চত্বরে বামপাশে রয়েছে পল্লী ভবন এবং ডানপাশে রয়েছে পুরাতন কোর্ট ভবন। সম্মুখভাগের উপজেলা পরিষদ


Share with :

Facebook Twitter