মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

ফুকরা এম.এম একাডেমী

পূর্ণব্রহ্ম শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের লীলাভূমি ওড়াকান্দির পার্শ্ববর্তী গ্রাম ঘৃতকান্দি। সামাজিক পরিমন্ডলের নিচু অবস্থানে থেকে কোন রকমে বড় হন স্বর্গীয় গিরীশ চন্দ্র বসু। অভাবের তাড়ণা সর্বক্ষণ আকড়ে ধরে রেখেছে এই মানুষটিকে। শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করতে না পারলেও শিক্ষার গুরুত্ব তিনি উপলব্দি করেছিলেন। মনের মধ্যে লালন করতেন এক উচ্চাভিলাষী স্বপ্ন। তারই ফল হিসেবে আজকের এই ফুকরা মদন মোহন একাডেমী। কাশিয়ানীর মধুমতি নদী বিধৌত ফুকরা নামক স্থানের সাথে হিন্দু ধর্মাবলমবীদের অবতার শ্রীকৃষ্ণের নাম (মদন মোহন) জুড়ে দিয়ে নামকরণ করা হয় ফুকরা মদন মোহন একাডেমী। ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ফুকরা এম.এম একাডেমী হিসেবে সমধিক খ্যাত। ইংরেজী Oপ্যাটার্ণে একাডেমীটির দক্ষিনমুখী পাকা ভবনটি এখনও কালের সাক্ষী হিসেবে স্বমহিমায় সমুজ্জ্বল। আধুনিক শিক্ষার নব্য চেতনায় বলীয়ান এ প্রতিষ্ঠান। জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে

 

সদা ব্রত নিয়ে কাজ করে চলেছেন শিক্ষকেরা। ছয়শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণোচ্ছল এই প্রতিষ্ঠানে মোট শিক্ষক বার জন। বিশ্বায়নের স্রোতধারায় সমান তালে এগিয়ে চলেছে প্রতিষ্ঠানটির কৃতিত্ব। শিক্ষকদের সুনিপুন কর্মদক্ষতা ও প্রচেষ্টা শিক্ষার্থীদের বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গী গঠনে প্রেরণা যুগিয়েছে সর্বক্ষণ। আর তারই ফল হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানের আলোয় আলোকিত জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক

 

বদিয়ার রহমান, ডাক্তার কালী রঞ্জন ভট্টাচার্য, ডাক্তার গাজী আমির আলী,ইঞ্জিনিয়ার এস.এম হাবিবুর রহমান প্রমূখের নাম। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রায় প্রতিটি অঙ্গনে প্রতিষ্ঠানটি অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় একাডেমীর সাথে মুক্তিবাহিনীর ছিল গভীর মিতালী। এজন্য চরম মূল্যও দিতে হয়েছিল মুক্তিবাহিনীর ঘাঁটি এই প্রতিষ্ঠানটিকে। বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে গেলে এখনও শুনতে পাওয়া যায় রাজাকারদের হাতে নির্মমভাবে নিহত দপ্তরী শুকলাল প্রামাণিকের আকুতি মিনতি। দখিনা সমীরণে ভেসে আসা স্বর্গীয় গিরীশ চন্দ্র বসুর লালিত স্বপ্ন এখনও ধ্বনিত হয় ফুকরার এই বিদ্যাপীঠে। আজও অবলীলাক্রমে শ্রদ্ধাবনতভাবে ফুকরাবাসী স্মরণ করেন এই মহীয়ান পুরুষ গিরীশ চন্দ্র বসুকে। এখনও মধুমতির বহমান স্রোতধারার কলকল ধ্বনিতে উচ্চারিত হচ্ছে ফুকরা মদন মোহন একাডেমীর জয়গান।          ------

 

 

 

 

 

ফুকরা এম.এম একাডেমী

 

 

পরিমন্ডলে অবস্থান করছেন অনেক খ্যাতিমান গুণীজন। সামাজিক কর্মকান্ডে রয়েছে তাঁদের অনস্বীকার্য অবদান। উল্লেখ করা যেতে পারে- প্রাক্তন সি.ই.সি এম এ সাঈদ, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াত, এ্যামবেসেডর ফরিদ আহম্মদ, ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট গাজী ফজলুর রহমান, ড. সুনীল চক্রবর্তী, কলাকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ুু

 

 

কিভাবে যাওয়া যায়:

উপজেলা সদর হতে দক্ষিণ দিকে ০৩ কিঃ মিঃ অগ্রসর হয়ে ভাটিয়াপাড়া চৌরাস্তা ওখান থেকে মহাসড়ক হয়ে রাতইল ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে ফুকরা বাজার । বাজার হতে সামান্য দূরে ফুকরা এম.এম একাডেমী